নতুন মাইলফলক স্পর্শের একধাপ পিছনে মাশরাফি

টেস্টে হোয়াইওয়াশ করার পর তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেও বাংলাদেশ পেয়েছে দাপুটে জয়। রবিবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উইন্ডিজকে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে উইন্ডিজকে যেন হেসে-খেলেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮৯ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেট হাতে রেখে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

এই ম্যাচ দিয়েই পূর্ণ হয়েছে ওয়ানডেতে মাশরাফির ২০০তম ম্যাচ। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ২০০তম ওয়ানডে খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ৭৮তম ক্রিকেটার হিসেবে এই তালিকায় যোগ হয়েছে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ডানহাতি এই পেসারের নাম।

এবার আরেকটি অর্জন মাশরাফির নামের পাশে যোগ হওয়ার আপেক্ষায়। ক্যারিবিয়ীয়দের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামলেই যৌথভাবে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি। তার সমান ৬৯ ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাবিবুল বাশার।

২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে পালন করেন হাবিবুল বাশার। এই ৪ বছরে সব মিলিয়ে ৬৯টি ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এতদিন তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ ওয়ানডতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়ক।

মঙ্গলবার সেই তালিকায় যোগ হতে যাচ্ছে মাশরাফির নাম। এদিন দেশের হয়ে ৬৯তম ওয়ানডেতে টস করবেন তিনি। তবে এরপর সিলেটে অনুষ্ঠিতব্য সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামলে বাশারকে ছাড়িয়ে এককভাবে সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করবেন মাশরাফি।

ম্যাচ সংখ্যায় বাশারকে ছোঁয়ার অপেক্ষায় থাকলেও সাফল্যের দিক দিয়ে অনেক আগেই তাকে ছাড়িয়েছেন মাশরাফি। তার নেতৃত্বেই সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ।

৬৯ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ৪০ হারের বিপরীতে ২৯টিতে জয় পেয়েছেন হাবিবুল বাশার। কিন্তু এখনো একটি ম্যাচ কম নেতৃত্ব দিয়ে ২৭ হারের বিপরীতে ৩৯টিতে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন মাশরাফি। আর ৫০ ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া সাকিব আল হাসান ২৬ হারের বিপরীতে জয়ের দেখা পেয়েছেন ২৩ ওয়ানডেতে।