জয় দিয়ে মিশন শেষ আরসিবি’র, নাইটদের সুযোগ করে দিল কোহলিরা

সানরাইজার্সের আস্তিনে রশিদ-ভুবনেশ্বরদের মতো গেমচেঞ্জার বোলার থাকা সত্ত্বেও ১৭৬রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে থ্রিলার লড়াই জিতে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ শেষ ওভারের ম্যাচ জিততে আরসিবি’র প্রয়োজন ছিল ৬ রান৷ ওভারের প্রথম দুই বলে দুটি চার হাঁকিয়ে ব্যাঙ্গালোরকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন উমেশ যাদব৷

সেই সঙ্গে সানরাইজার্সেক হারানোর নাইটদের সামনে এখন সুবর্ণ সুযোগ৷ ১৪ ম্যাচ শেষে সনারাইরার্সের পয়েন্টে এখন ১২, ১৩ ম্যাচ খেলে সেখানে নাইটরাও রয়েছে ১২ পয়েন্টে৷ অর্থাৎ রবিবার ওয়াংখেড়েতে মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি প্লে-অফ খেলার ছাড়পত্র পেতে পারে দীনেশ অ্যান্ড কোম্পানি৷

১৭৬ রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে আরসিবি৷ পাওয়ার প্লে-র প্রথম তিন ওভারের মধ্যেই পার্থিব(০)-কোহলি(১৬) ও এবিডি’র(১রান) দামি উইকেট হারানোয় সবাই যখন ধরে নিয়েছে শেষ ম্যাচে হার দিয়েই আরিসিবি বিদায় লেখা আছে, তখনই বিধ্বংসী ব্যাটিং সিমরন হেটমারের৷

আরসিবি জার্সিতে মরশুমের প্রথম দিকে বেশ কয়েক ম্যাচে টানা সুযোগ পেলেও ফ্লপ ছিলেন হেটমায়ের৷ এদিন অবশ্য গেইল-রাসেলদের উত্তরসূরি ব্যাটসম্যানকে পাওয়া গেল একেবারে অন্য মেজাজে৷ ৪৭ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দেন হেটমারের৷ আইপিএলের প্রথম মৌসুমে এটি প্রথম অর্ধশতরান ক্যারিয়িবান ক্রিকেটারের৷ তরুণ বাঁ-হাতির ইনিংস সাজানো ৪টি চার ও ৬টি ছয়ে৷

তাঁকে যোগ্য সংগত দেন গুরকিরাত মান সিং৷ আরসিবি’র জার্সির মান রেখে এদিন ৪৮ বলে ৬৫ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস গুরকিরাতের৷ আইপিএলে এটি গুরকিরাতের দ্বিতীয় অর্ধশতরান৷ হেটমারের সঙ্গে জুটিতে ১৪৪ রানের পার্টনাশিপ গড়েন গুরকিরাত৷ হেটমায়ার-গুরকিরাত শেষদিকে আউট হলেও শেষ ওভারে জোড়া বাউন্ডারিতে ম্যাচ জিতিয়ে দেন উমেশ৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন সিমরন হেটমারের৷