কোহলির রেকর্ড সেঞ্চুরিতেও হারল ভারত

ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে হারের পর আজ রাঁচিতে সম্মান বাঁচানোর মিশন ছিল অস্ট্রেলিয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত নিজেদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে পেরেছে অজিরা। তৃতীয় ম্যাচে ৩২ রানে জয় তুলতে সক্ষম হয়েছে অ্যারণ ফিঞ্চ বাহিনী।

রাঁচির ম্যাচটিতে টস হেরে ভারতের আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার অ্যারণ ফিঞ্চ ও উসমান খাঁজার ইনিংসের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩১৩ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া।

পর পর দুই লজ্জার পর দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অজিদের আজ শুরুটা বেশ চমৎকার ছিল। ইনিংসে ৩১.৫ ওভারের সময় ১৯৩ রানে প্রথম উইকেট ভাঙে সফরকারীদের। মূলত ব্যক্তিগত ৯৩ রানের ঘরে কুলদীপের বলে ক্লিন এলবিডব্লিউ’র শিকার হয়ে ভারত শিবিরে আনন্দের বার্তা পৌছে দেন অজি অধিনায়ক। মাঠ ছাড়ার আগে তিনটি ছক্কা এবং ১০ বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। এরপর ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে বড় লক্ষ্যের দিকে ছুটতে থাকেন ওপেনার খাঁজা। সে ফাঁকে ব্যক্তিগত শতকও তুলে নেন তিনি। সে সঙ্গে ৩৮.৩ ওভারে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফিরে। ততক্ষণে আড়াইশ রানের (২৩৯) কাছাকাছি চলে যায় অস্ট্রেলিয়া।

দুই ওপেনারের বিদায়ে বড় ধরণের সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। কারণ শেষ পর্যন্ত ম্যাক্সওয়েল এবং মার্শের ছোট ছোট কন্ট্রিভিউশনে ৩১৩ রান তুলতে পারে তারা।

অস্ট্রেলিয়ার ৩১৪ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১১, ১৫ এবং ২৭ রানে তিন টপঅর্ডারকে (ধাওয়ান, শর্মা ও রায়ডু) হারিয়ে বসে ভারত। এমনকি ৮৬ রানের ঘরে ব্যক্তিগত ২৬ রানের ঘরে ফিরেন ধোনিও। অতসব ভাঙা-গড়ার মাঝেও একপ্রান্ত আগলে ধরে ঠিকই দলতে টেনে তুলেন কোহলি। ঝড়-ঝাপটা থেকে দলকে উদ্ধারের পাশাপাশি ক্যারিয়ারের ৪১তম সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। কিন্তু যখনই ৯৫ বলে ১২৩ রানে জাম্পার বলে বোল্ড হয়ে থামল তার ইনিংস, তখনই কার্যত থেমে গেল ভারত। কারণ শঙ্কর-জাদেজারা এদিন ফিনিংসটা দিতে পারেননি। তাই শেষ পর্যন্ত ৪৮,২ ওভারের সময় ২৮১ রানে থেমে যায় ভারতের ইনিংস।