ওয়ার্নার-রোহিতদের পেছনে ফেললেন তামিম

ক্রিকেট খেলায় ফর্ম, অফফর্ম যেন খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুরুতে বেশি ভালো না করতে পারলেও অনেক খেলোয়াড়ই রয়েছেন যারা পরবর্তীতে লিজেন্ডের কাতারে গিয়েছেন। অন্য অনেক খেলোয়াড়ের মত তামিম ইকবালের শুরুর দিকের ওয়ানডে ফর্মও খুব বেশি ভালো ছিল না। টেস্টে অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখালেও ওয়ানডেতে ঠিক ততটা ধারাবাহিকতা ছিলনা তামিমের ব্যাটে। সময়ের পরিক্রমায় যা এখন পুরোটাই বদলে গেছে।

২০১৫ বিশ্বকাপের পরই কোন এক জিয়ন কাঠির পড়শে যেন বদলে যায় তামিমের ওয়ানডে ক্যারিয়ার। উন্নতি করলেন তো বটেই তার ওয়ানডে পারফরম্যান্সে তবে এমন উন্নতি করলেন যা হয়তো খুব কম দর্শকই কল্পনা করেছিলেন তার কাছ থেকে। গত চার বছরের পারফরম্যান্সে তামিম ওয়ানডেতে বিশ্বের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের একজন।

এদিকে ক্রিকেটের ওয়ানডে ফরম্যাটে গেল দুই বছরে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ব্যাটিং গড়ে শীর্ষে তিনি। ২৩ ম্যাচে ৭৩.৮৮ গড়ে ১ হাজার ৩৩০ রান করেছেন তামিম। এ নিয়ে আলোচিত সময়ে ওপেনারদের মধ্যে ব্যাটিং গড়ে সবার ওপরে আছেন তিনি। পেছনে ফেলেছেন ডেভিড ওয়ার্নার, রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ানের মতো ব্যাটসম্যানকেও।

পরের স্থানে আছেন রোহিত। টাইগার ড্যাশিং ওপেনারের চেয়ে ২০ ম্যাচ বেশি খেললেও গড়ে পিছিয়ে আছেন ভারতীয় ওপেনার। এসময়ে ৪৩ ম্যাচে ৭১.৬৫ গড়ে ২ হাজার ৫০৮ রান করেছেন তিনি।

এ তালিকায় তিনে আছেন পাকিস্তানের ওপেনার ইমাম উল হক। গত দুই বছরে ১৭ ম্যাচে ৬৪.৬৪ গড়ে ৯০৫ রান করেছেন তিনি। ২৭ ম্যাচে ৫৬.৫২ গড়ে ১ হাজার ৩০০ রান করে তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন তারই সতীর্থ ফখর জামান।

সবশেষ দুই বছরে ৫৪.৮০ গড়ে ১ হাজার ৩৭০ রান নিয়ে পাঁচে আছেন ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো। আর ১৫ ম্যাচে ৫০.৪২ গড়ে ৭০৬ রান নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়া ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার।

এছাড়া ১২ ম্যাচ খেলে ৪৮.৮৩ গড়ে ৫৮৬ রান করে আজিঙ্কা রাহানে সপ্তম (ভারত) এবং ৪২ ম্যাচে ৪৮.৭১ গড়ে ১ হাজার ১৯ রান নিয়ে অষ্টম স্থানে অবস্থান করছেন শিখর ধাওয়ান (ভারত)।