উইন্ডিজকে উড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা

বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের নিজেদের প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বিশাল জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলো বাংলাদেশ দল। উইন্ডিজের দেওয়া ২৬১ রানের জবাবে তামিমের ৮০, সৌমের ৭৩ ও সাকিবের অপরাজিত ৬১ ও মুশফিকের অপরাজিত ৩২ রানে ৫ ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগার বাহিনী।

ডাবলিনের ক্লনট্রফ ক্রিকেট গ্রাউন্ড স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকতে থাকেন দুই উইন্ডিজ ওপেনার সুনিল আমব্রিস ও আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শাই হোপ। দুইজনে মিলে যোগ করেন ৮৯ রান। এরপর নিজের ১ম ও ইনিংসের ১৭তম ওভারে সুনিল আমব্রিস এক্সট্রা কভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত এক ক্যাচে ৫০ বলে ৩৮ রান করে ফিরে যান তিনি।

পরের ওভারেই নিজের তৃতীয় ওভারে ড্যারেন ব্রাভোকে ১ রানে ফিরেয়ে দেন সাকিব৷ কিন্তু এরপর আবারো চেজকে নিয়ে দারুন জুটি গড়েন ওপেনার শাই হোপ। তুলে নেন বেক টু বেক সেঞ্চুরি। অর্ধশতক তুলে নেন চেজ। এরপর তাদের ১১৫ রানে জুটি ভাঙেন মাশরাফি। ইনিংসের ৪১তম ওভরে চেজকে ফেরান তিনি। পরবর্তীতে পরপর দুই ওভারে ফেরান সেঞ্চুরিয়ান হোপ ও হোল্ডারকে। ৪৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে নিজের কোটা শেষ করেন মাশরাফি।

পরবর্তীতে উইন্ডিজ শিবিরে আঘাত হানেন সাইফুদ্দিন। দলীয় ২১৯ রানে অভিষিক্ত ডওরেচকে ফেরান ৬ রানেই। এরপর কিছুটা ছোট পার্টনারশিপ গড়েন কার্টার ও নার্স। সেটিও বড় হতে দেননি মোস্তাফিজ। দলীয় ২৪৫ রানে কার্টারকে ফেরান কাটার মাস্টার। এরপর আবারো আঘাত হানেন সাইফুদ্দিন। আসলি রোচকে ফেরান ১ রানেই। শেষ ওভারে অগুছালো ফিজ ফেরান নার্সকে। শেষপর্যন্ত ৯ উইকেট হেরে ২৬১ রানের পুঁজি গড়ে উইন্ডিজ।

টাইগারদের হয়ে মাশরাফি ৩ টি, মোস্তাফিজ ও সাইফুদ্দিন যথাক্রমে ২ টি এবং সাকিব, মিরাজ ১ টি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুন সুচনা এনে দিয়েছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। এই দুইজের ১৪৪ রানের শক্ত ভিতে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ দল। দলের পক্ষে তামিমের ৮০, সৌমের ৭৩ ও সাকিবের অপরাজিত ৬১ ও মুশফিকের অপরাজিত ৩২ রানে ৫ ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগার বাহিনী।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ-
উইন্ডিজঃ ২৬১/৯ (৫০)
শাই হোপ ১০৯, চেজ ৫১, মাশরাফি ৩/৪৯, সাইফউদ্দিন ২/৪৭।

বাংলাদেশঃ ২৬৪/২ (৪৫ ওভার)
তামিম ৮০, সৌম্য ৭৩, সাকিব ৬১, মুশফিক ৩২